আজও ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

জেলার-খবর

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আরও ৩ জন নিহত হয়েছে। শনিবার রাতে সাতক্ষীরা ও ময়মনসিংহে এই কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে
সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার সদর উপজেলায় আটকের পর পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও রয়েছে। এ সময় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন।
শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার বাঁশদহার কয়ার বিল এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের আবদুল গনির ছেলে দেলোয়ার হোসেন ও কলারোয়ার কেড়াগাছি গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ জানান, বিকালে মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার ও আবুল কালামকে কিছু গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ গোয়েন্দা পুলিশ বাঁশদহা বাজার থেকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন যে, আজ রাতে মাদকের একটি বড় চালান ভারত থেকে আসবে। এর ভিত্তিতে তাদের নিয়ে মাদকের চালান উদ্ধারে যায় পুলিশ।
বাঁশদহার কয়ার বিল এলাকায় পৌঁছতেই আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা তাদের সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে অন্যরা চলে গেলে ওই দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি ও কিছু মাদক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
আহত পুলিশ সদস্য এসআই রিয়াদুল, এসআই সুমন, এএসআই মাজেদুল ও দুই কনস্টেবল রুবায়েত ও তুহিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মুরাদ আকন্দ (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি, নিহত মুরাদ আকন্দ ডাকাত দলের সর্দার। মুরাদ ভালুকা উপজেলার বগাজান গ্রামের শাহজাহান আকন্দের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের হাইজ্যাক মোড় এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি রামদা, একটি চাপাতি ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
ভালুকা মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকাদার জানান, ভরাডোবা-ঘাটাইল সড়কের উথুরা হাইজ্যাক মোড় ব্রিজে একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।
একপর্যায়ে সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলেই ডাকাত সর্দার মুরাদ আকন্দকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল (মমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুরাদ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত সর্দার। তার বিরুদ্ধে ভালুকা থানায় ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী থানায়ও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *