জিরো থেকে হিরো ,প্র্রতারনার করে কিভাবে কৌশলে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা? প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্শন ।

প্রশাসন

অনুসন্ধান রির্পোট:-  পর্ব-১  :    জিরো থেকে হিরো ফু_দিলে সেরে যায় জীবনের সব রোগ ।

অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে সোনা মিয়া নামে এক প্রতারক কবিরাজের খোজ ।জানা গেছে চাদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার গাজীপুর গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে সোনা মিয়া ।প্র্রায় যুগ-যুগ ধরে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে করে আসছে এই প্রতারনার ব্যবসা । গ্রমের অতি গরিব-অসহায় মানুষদের ফাদে ফেলে জীবনের সব ধরনের রোগ যেমন:-কিডনির পাথর প্যারালাইসিজ মহিলাদের গর্ভে থাকা সন্তান ছেলে চাইলে ছেলে মেয়ে সন্তান চাইলে মেয়ে এবং ব্যবসায় আয়-উন্নতি, বিদেশগামী মানুষদের ফেরত আনা ও স্বমী-স্ত্রী দন্ধ সহ সব দরনের সমস্যা ও রোগের সিকিৎসা করেন তিনি ।সোনা মিয়ার এই অত্যাধুনিক হেকিমি কবিরাজের মাধ্যমে অনেক নিরীহ মানুষের চিকিৎসার কারনে অকালে প্র্রান হারিয়েছে অনেকেই।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দালালের মাধ্যমে সোনা মিয়া কবিরাজির সাইন বোর্ড জুলিয়ে পুরোদেশ জুড়ে এ দরনের প্রতারনার ব্যবসা চালিয়ে আসছে দির্ঘ্যদিন ।

এলকাবাশী আরো জানান, সোনা মিয়া আগে গ্র্রামে হেঠে হেঠে বাদাম বিক্র্রি ও ইটা ভাঙ্গার কাজ করতেন ।হঠাৎ সোনা মিয়ার পরিবর্তন ঘটে । কিভাবে এ পরিবর্তন ঘটে জানতে চাইলে অভিযোগকারীরা বলেন, তিনি এক দিন গভীর রাতে হঠাৎ তাকে পাওয়া যায় না এমন এক গুজোব উঠে তার পরিবার থেকে অনকে খোজাখুজির পর পাওয়া গেলো এক গ্র্রাম থেকে অন্য গ্র্রামের গভীর বাগানে, তারহাতে পাওয়া গেলো এক অত্যাধানুনিক যন্ত্র । কি আছে এ যন্ত্রতে জানতে চাইলে এলাকাবাসি বলেন, আল্লাহর তরফ হইতে নাকি কে বা কাহারা তাকে গায়বি ভাবে এ যন্ত্র তার হাতে দেয় এবং বলে তোকে এটি দিলাম মানুষের উপকার করবি যে কোন মানুষের যে দরনের রোগ হোকনা কেন শরিরের উপরে যন্ত্র ধরে তার নাম ও বাবার নাম বললে সেরে যাবে আস্থে আস্থে সব রোগ । ভিজিট জানতে চাইলে প্রত্যক্ষর্দশী বলেন,মানুষ দেখে ভিজিট নেন ,ধারনা করেন আর কোন ডাক্তার দেখিয়েছেন কিনা এবং রোগ বড় ধরনের কিনা এর মধ্যে হিসাব হয় ভিজিটের সংখ্যা ।

জানা যায়, ১০০,টাকা থেকে ১লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্রমানয়ে হাতিয়ে নেয় এই প্রতারক।সোনামিয়া এক জন দিনমুজুর হলেও এখন তার সম্পদের পরিমান কয়েক কোটি টাকা ।তার ব্যাংকে নগদ টাকা সহ বিভন্ন সমিতি ও সিএনজি,এবং বিপুল পরিমান স্বর্ণের মালিক রয়েছেন তিনি ।জানতে চাইলে বলেন,তার এক সময় সতাংশ পরিমান জায়গা ছিলনা তাদের কুড়ের ঘর ছিলো তার এই ব্যবসার পর এখন তিনি কয়েক একর সম্পতি ও দ্বিতিয় তলা ভবন সহ চারটি পাকা বাড়ীর মালিক ।

জানা গেছে সোনা মিয়া এলকার কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও থানা পুলিশকে মাসোয়ারা দিয়ে এ ধরনের প্রতারনা ব্যবসা করে আসছে অহরহ ।সোনা মিয়ার দাপটে এলাকার প্রভাবশালীদের হাত করায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করতে সাহস পায়না । সোনা মিয়ার ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোন ফলাফল । নিরোউপায় হয়ে ফিরছেন বহু ভুক্তভোগী ।পরিশেষে আল্লাহর নিকট বিচার পার্থনা করে চোখের পানি ফেলে নগদ অর্থ ও গহনা জমা দিয়ে যাচ্ছেন অনেক নিরিহ মানুষ ।

প্রতারক সোনা মিয়ার আতংকে ও প্রতারনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং এসব দূর্নীতি করে বিপুল পরিমান অর্থের মালিক হওয়ায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃস্টি আকর্শন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, দেশের মানবাধীকার সংস্থা গুলো তদন্ত করে আইনি ব্যাবস্থা নিয়ে তার উপযুক্ত শাস্তি ও সু-বিচার কামানা করছেন ভুক্তভোগীরা ।

 

র্রিপোটির অনুসন্ধান চলবে । পর্ব- ১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *