ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য আওয়াজ তুলেছেন সাকিব আল হাসানও।

ক্রিকেট খেলা

ঢাকা ( অক্টোবর, ২০২০) : দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষণ নারী নির্যাতনে ঘটনার প্রতিবাদে স্কুল প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক দলের কর্মীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভ মানববন্ধন পালন করছেন।

আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করি এবং আমাদের নারী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি যাতে তারা স্বপ্ন দেখতে পারে এবং নির্ভয়ে তাদের জীবনযাপন করতে পারে, বলেন অলরাউন্ডার সাকিব।

মনে রাখবেন, আজকে আমরা যদি বর্বর আচরণ মানসিকতার বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াই়, তবে একদিন আমাদের প্রিয়জনদের একজনই হতে পারে নির্মমতার ভুক্তভোগী, বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।এ নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়নসৃষ্টি হয়।

জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে ২০/২৫ দিন আগে ঘটনা ঘটলেও, গত রবিবার গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

ভিডিও চিত্রে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে তার মুখমণ্ডলে উপুর্যপুরি লাথি বেধড়ক মারধর করতে দেখা যায়। এসময় ওই গৃহবধূ বহুবার পায়ে ধরে এবং বাবাবাবা বলে ডাকলেও নির্যাতন চালিয়ে যায় বখাটেরা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের নজরে আসলে তিনি বিষয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ প্রদান করেন।

ধর্ষণ নারী নির্যাতনের মতো নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে নির্মমতার ভুক্তভোগীদের পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজে দেয়া এক পোস্টে সাকিব বলেন, চমৎকার একজন নারীর ছেলে আমি, জীবন চলার পথে স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি অপূর্ব একজন নারীকে, দারুণ একজন নারীর ভাই আমি আর দুটি ফুটফুটে কন্যার বাবা আমি।

সব ধরনের ঘৃণা সহিংসতার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এক শ্রেণির বর্বর মানুষ বয়স, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে নারী শিশুদের প্রতি প্রতিদিনই যে জঘন্য অন্যায় করছে তারপর আমি আর চুপ থাকতে পারি না।

এতে তিনি আরও বলেন, একে অপরের অধিকার রক্ষা আদায়ের জন্য আমাদের চালিয়ে যেতে হবে লড়াই, ঠিক যেভাবে আমাদের অধিকার নিশ্চিত করতে লড়েছিলেন আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *