নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ৩০টির বেশি আসন পাবে না আ.লীগ : ফখরুল

বাংলাদেশ

নিউজ মিডিয়া ২৪: ঢাকা : অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথার আমি উত্তর দিতে চাইনা, কারণ তিনি বেশির ভাগ কথাই অবান্তর কথা বলেন।’ এসময় তিনি ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সুষ্ঠ নির্বাচনটা দিন না! কে কত আসন পায়। সুষ্ঠ নির্বাচনে আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না।’
শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে কিনা তা নির্ভর করবে নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপর। আমরা বিগত ৭ বছর সংবিধান সংশোধনসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা আলোচনা করেছি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও, কিন্তু কিছুই করেন নি। সরকার কোন কর্ণপাত না করে তারা এক তরফা নির্বাচন করতে ও তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। আমরা বারবার অভিযোগ করার পরও আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেই চলেছে। কোন ধরণের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়নি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কোন গ্রেফতার হবেনা’ প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু নিলনকশা বাস্তবায়নে গ্রেফতার করেই চলেছেন। এভাবে নির্বাচনের মাঠে খারাপ পরিবেশ তৈরি হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।
ফখরুল বলেন, ‘৮ তারিখে তফসিল ঘোষণার পর নারায়নগঞ্জে ২৫ জন, ঢাকা মহানগরে ৩৯৪ জন, মানিকগঞ্জ ও বগুড়া ৫৩৭ জন। ২৬ তারিখে ৩ জনসহ অসংখ্য নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অবস্থায় কতটুকু নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচন কমিশনকে এখনও বলছি এসব বন্ধ করতে হবে তানা হলে নির্বাচনের পরিবেশ কি হবে তা আমরা বলতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগকে তারা পুরোপুরিভাবে করায়াত্ব করে ফেলেছে। এই সরকারের অধিনে কোন নির্বাচন সম্ভব নয়। পুরো জাতিকে তারা সংঘাতে পরিণত করে ফেলেছে। তাই কোন ধরণের সংঘাত হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আচরনবিধি লঙ্ঘন করছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে তারা ভয়পায় বলেই নীলনকশা বাস্তবায়নে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ড.আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *