প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ভবন ঘিরে রেখেছে সৌদি আরব প্রবাসীরা

আন্তর্জাতিক জাতীয় জীবনযাপন জেলার-খবর পর্যটন প্রচ্ছদ বাংলাদেশ

 ঢাকা (২৩ সেপ্টেম্বর,২০২০) : করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীরা কাজ হারানোর শঙ্কায় এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। ঘিরে রেখেছে নিউ ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভবন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর)  সকালে তারা এখানে অবস্থান নেন। প্রায় হাজার খানেক সৌদি প্রবাসী সেখানে বিক্ষোভ করছেন।

জানা গেছে, সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসে শনিবার থেকেই টিকিটের জন্য ঘুরছেন প্রবাসীরা। তাদের অভিযোগ, লাইনে দাঁড়ালেও টিকিট দিচ্ছে না তারা। রিটার্ন টিকিট থাকার পরও অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা রি-ইস্যু করতে নিচ্ছে এয়ারলাইনসটি। একইসঙ্গে টিকিট বিক্রি করছে ৯৫ হাজার টাকায়। প্রবাসীদের অভিযোগ অল্প কিছু টিকেট এয়ারলাইন্সের অফিসে রেখে বাকি সব টিকেট ট্রাভেল অ্যাজেন্সি উচ্চ মুল্যে বিক্রি করছে।

বিক্ষোভরত প্রবাসীরা আরও জানান, আমরা বেশ কিছু দাবি নিয়ে এসেছি। আমাদের প্রধান দাবি হলো আকামা, ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা। দ্বিতীয় দাবি হলো, আমরা অনেকেই রিটার্ন টিকিট নিয়ে এসেছি। আমরা যেন সেই টিকিটে ফিরে যেতে পারি। তৃতীয় দাবি হলো, আমাদের টিকিটের মূল্য যেন বেশি রাখা না হয়। অন্যান্য এয়ারলাইন্স যেন হয়রানি না করে।

অন্যদিকে প্রবাসীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের বৈঠকের কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সৌদি আরব যেতে টিকেটের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ করে আসছেন তারা। তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে যেতে না পারলে তাদের চাকরি হারাতে হবে। মঙ্গলবার কারওয়ান বাজারে সৌদি এয়ারলাইনসের বুকিং কার্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ করেন। সোমবারও কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলে বিক্ষোভ করেন তারা।

মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থানকারী শরিফুল বলেন, সৌদি সরকার বেঁধে দেওয়া ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমরা না যেতে পারলে কাজ হারাবো। আমাদের মালিক আমাদের ফোন দিয়ে জানাইসে। আমার রিটার্ন টিকিটও ছিল। কিন্তু সৌদি এয়ারলাইনস এখন বলছে, এই সময়ের মধ্যে টিকিট দিতে পারবে না।

ওপর এক ভুক্তভোগী সোহেল জানান, আমার রিটার্ন টিকেট করা আছে, তারপরও টিকেট দিচ্ছে না সৌদি এয়ারলাইন্স। আমরা যেতে না পারলে কাজ হারাবো। আমাদের কাজ দিবে কে পরে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *