বঙ্গবন্ধুর খুনি পরিবারের গুপ্তচর হিসেবে হেলাল উদ্দিন মোল্লা তাঁতীলীগে অনুপ্রবেশ করে আছে।

জাতীয় জেলার-খবর

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকা (১১ সপ্টেম্বের, ২০২০) : ২০০৪ সালে শাহরাস্তি রায়শ্রী উত্তর জুনিয়র হাইস্কুল মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় জামায়ত শিবির বিএনপি হামলায় ৫ জন আহত, সভা পণ্ড। আহত হন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী নেতা নেছার আহমদ মনোয়ার হোসেন। আহত মনোয়ার হোসেনকে শাহরাস্তি কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সভার প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টর কমাণ্ডার মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। হামলাকারী জামায়াত-শিবিরের সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন মোলøা, পিতা-আবদুল বারেক, সাং-কালিবাড়ী, শাহরাস্তি, চাঁদপুর ও তার সহযোগী স্বপন সহ ৫০-৬০ জন দলের একটি মিছিলৈ মেহের ডিগ্রী কলেজের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের সভায় হামলা করে এবং প্রধান অতিথি মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এর গাড়ীতে ভাংচুর করেন।চাঁদপুর ও কুমিল্লা রোডে ১০টি বাস ভাংচুর করিয়া হামলাকারীরা আনন্দ উল্লাস করেছিল। সেই শিবিরের সক্রিয় সদস্য তথ্য গোপন করিয়া তাঁতী লীগের মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক হন তাঁতীলীগের সাবেক আহবায়ক এনাজুর রহমানের হাত ধরে। এই হেলাল উদ্দিন মোল্লা শাহরাস্তি মেহের ডিগ্রী কলেজে থাকিয়া জামায়াত-শিবিরের পক্ষে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে। চারদলীয় জোট থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের উপর নির্যাতন করেছিল। যাহার কালের স্বাক্ষী মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, এম.পি। এই অনুপ্রবেশকারী তথ্য গোপন করে তাঁতী লীগে প্রবেশ করেছে। তার বহিঃস্কারের দাবী জানাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিকেরা। হেলাল উদ্দিন মোল্লা ২০১৭ ইং সালে তাঁতী লীগের কাউন্সিলের সময় আজকের তাঁতীলীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শওকত আলী প্রস্থাবকারী হন। এই সুবাদে তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাকে বানানো হয়। তাকে বানানো হয় বিশেষ ১টি মহলের সহযোগীতায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে তার বিবাহের সময় তাঁতীলীগের বিতর্কিত এনামুল রহমান চৌধুরী তার বিবাহের উকিল শশুর হন। বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরী তার ভাগনি জামাই। ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান এর ভাগনি হেলাল বিবাহ করে। যার প্রচারনা তিনি নিজেই করেন। বঙ্গবন্ধুর খুনি পরিবারের গুপ্তচর হিসেবে হেলাল উদ্দিন মোল্লা কাজ করছে। ইঞ্জিসিয়ার শফিকের কাছে ২৩-বঙ্গবন্ধুর গোপনীয় তথ্য সরবরাহ করে আসছে। তার নামীয় ফেইসবুকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে ফুল দিচ্ছে। ইহা সম্পুর্ণ জালিয়াতী করে প্রধানমন্ত্রীর ছবির সাথে তার ছবি লাগিয়ে তার ফেইসবুক প্রোফাইলে লাগনো আছে। ইহা একটি প্রতারনা । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছবি উঠাইলে তার রেকর্ড থাকে। ২০১২ সালে তিনি নাকি ফুল দিয়েছেন গণভবনে প্রধান মন্ত্রীকে। ইহা তদন্ত করলে তার জালিয়াতি ফাঁস হবে। স্থানীয় শাহরাস্তিতে ছাত্রলীগের কোন পদ পদবী তার কখনো ছিল না। এ বিষয়ে তার সকল অপকর্মের শাহরাস্তি ও বহিস্কার দাবী করে মোঃ বাবুল হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে ১টি অভিযোগ করেন।
সূত্রঃ তারা বি.ডি.নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *