বিক্ষুব্ধ সৌদি প্রবাসীদের কাছে ২৮শে সেপ্টেম্বর সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

জাতীয় জীবনযাপন জেলার-খবর প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজধানী

ঢাকা (২৩ সেপ্টেম্বর,২০২০) : বিক্ষুব্ধ সৌদিপ্রবাসীদের কাছে আগামী ২৮শে সেপ্টেম্বর সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ। আজ বুধবার সৌদিপ্রবাসীদের ছয় প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সৌদিপ্রবাসী তাজুল ইসলাম বলেন, তাদের বেশ কিছু দাবি আছে। প্রধান দাবি হলো- ইকামা-ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা। তারা অনেকেই রিটার্ন টিকিট নিয়ে দেশে এসেছেন। তারা যেন সেই টিকিটে ফিরে যেতে পারেন। তাদের টিকিটের মূল্য যেন বেশি রাখা না হয়। অন্যান্য এয়ারলাইনস যেন হয়রানি না করে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়, সে জন্য তারা এসেছেন।
গত মঙ্গলবার তিন ঘণ্টা বিক্ষোভের পর সড়ক অবরোধ তুলে নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেন তারা। ওই সময় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক চলছিল। বৈঠকের পর দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের ইকামা-ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়াতে সৌদি আরব সরকারকে চিঠি দেয়া হয়।
সৌদিপ্রবাসীরা আজ বেলা ১১টার দিকে ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘেরাও করেন। এ সময় তারা মন্ত্রণালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। বেলা একটার দিকে সৌদিপ্রবাসীদের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে যায়। আলোচনা শেষে বেলা দেড়টার দিকে তারা বাইরে বেরিয়ে আসে।
পরে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, সৌদিপ্রবাসীদের কাছে তিনি সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়েছেন। তাদের সমস্যার বিষয়ে তখন আপডেট জানাবেন।
১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেয় সৌদি সরকার। সৌদি এয়ারলাইনসকে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চালানোর অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু বাংলাদেশ বিমানকে ফ্লাইট চালানোর অনুমতি দেয়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। আর এতে বিপাকে পড়েন প্রবাসীরা। কেননা, অধিকাংশেরই ফিরতি টিকিট সৌদি এয়ারলাইনস ও বিমানে করা আছে।
বিমানের মহাব্যবস্থাপক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) মো. মোকাব্বির হোসেন বলেছেন, বিমানকে আটটি ফ্লাইটের স্লট দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ল্যান্ডিং পারমিশন দেয়নি। পারমিশন মিললেই ফ্লাইট চালু করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *