যেখানে মার খাবেন ইমরান

আন্তর্জাতিক

নিউজ মিডিয়া ২৪: ডেস্ক: সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে অন্যতম মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার সম্পর্ক বিরাজমান। সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় প্রশ্নে আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। কাশ্মীর সংকট নিয়ে ভারতের সঙ্গে অচলাবস্থা। পাক পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এগুলোই। মার্কিন খোঁচা আর ভারতীয় চোখরাঙানির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে চীনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার বেশ একটা চেষ্টা পাক নেতাদের মধ্যে লক্ষ্যণীয়। তবে তার জন্যও মূল্য দিতে হচ্ছে ইসলামাবাদকে। ঋণের পাহাড় জমে যাচ্ছে। বেইজিংয়ের দেয়া ঋণ গিলে ফেলতে চাচ্ছে দেশটির ৩০০ বিলিয়নের অর্থনীতি।
একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক এর শক্তিশালী পররাষ্ট্র নীতি। পাকিস্তানে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় সেই পররাষ্ট্র নীতি সবচেয়ে কম গুরুত্ব পেয়েছে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক ইমরান খান। এমনকি প্রথমবারের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে আর মাত্র কয়েক কদম দূরে রয়েছেন তিনি। তবে অন্যান্য দলের নেতাদের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চেয়ে প্রধান বিরোধী নেতাদের দুর্নীতি নিয়েই বেশি সরব ছিলেন তিনি। পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে যখনই তিনি কথা বলেছেন, তার মধ্যে আক্রমণাত্মক ভঙ্গি দেখা গেছে। বেশিরভাগ সময় তার নিজের এবং পাকিস্তানি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে ‘আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার’ ওপর দোষারোপ করেছেন তিনি। পাকিস্তানের ভঙ্গুর বিদেশ নীতি এ মুহূর্তে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের এ ভঙ্গুর বিদেশ নীতি তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হবে।
নাইন ইলেভেনের পরেই দৃশ্যপটে আসে পাক-মার্কিন সন্ত্রাসবিরোধী জোট। এরপর প্রায় দুই দশক ধরে দেশ দুটির মধ্যে সর্বদায় দোদুল্যমান সেই সম্পর্ক বর্তমানে ভেঙে পড়ার পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *