সাগরে নিখোঁজ ২০ জেলে: ৩ জনের লাশ উদ্ধার

জেলার-খবর

নিউজ মিডিয়া ২৪: বরগুনা: বঙ্গোপসাগরের কচিখালী ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় ঝড়ের কবলে দুটি মাছ ধরা ট্রলার ডুবির ঘটনায় গত চারদিনে ১৯ জেলের সন্ধান মিললেও এখনো
আজ বুধবার সকালে সাগর থেকে ফিরে আসা জেলেরা আশারচর স্থানে কয়েকটি লাশ ভাসতে দেখেনে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
জেলা ট্রলার মালিক সমিতি সূত্র জানায়, বুধবার সকালে পাথরঘাটায় ফিরে আসা কয়েকটি ট্রলারের জেলেরা তাদের জানিয়েছেন, আশারচর নামক স্থানে সাগরে তারা তিনটি লাশ ভাসতে দেখেছেন। খবর পেয়ে ট্রলার মালিক সমিতি থেকে তিনটি ট্রলার সেখানে খোঁজে নেমেছে।
ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধ‍ুরী মুঠোফোনে বলেন, বুধবার সকালে পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আসা জেলেদের মাধ্যমে আমি এরকম খবর শুনেছি। আমরা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সেখানে অনুসন্ধানের জন্য তিনটি ট্রলার পাঠিয়েছি।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে বঙ্গোপসগরের নারকেল বাড়িয়ায় বরগুনার আশুতোষ বাবুর মালিকানাধীন এফবি তরিকুল-১ এবং রোববার দুপুরের দিকে বেহালা মান্দারবাড়িয়া এলাকায় পাথরঘাটার শাহীন ফিটারের মালিকানাধীন এফবি শাহজালাল নামের অপর একটি ট্রলার ঝড়ের কবলে ডুবে গিয়ে এসব জেলে নিখোঁজ হন। এদের মধ্যে এফবি তরিকুল ১৮জন জেলেকে সাগরে ভাসমান দেখে চট্রগ্রামের তিনটি ট্রলার তাদের উদ্ধার করে তীরে পৌঁছে দেয়। তবে ট্রলারের বাবুর্চি ইলিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
অপরদিকে রোববার দুপুরে ডুবে বেহালা মান্দারবাড়িয়া এলাকায় এফবি শাহজালাল নামের একটি মাছধরা ট্রলার ডুবে ১৮ জন জেলে নিখোঁজ হন। এতে ওই ট্রলারের রিপন, মামুন, বাবুল, তোতা মিয়া, হাকিম, কবির হোসেন, মাসুম, আবু হানিফা, শাহীন, হিরু, সুলতান, রাসেল, খায়রুল, মাসুম, সাকিব, মনির হোসেন, এখতিয়ার, সিরাজ ও হাকিম ও নাসির নামের ১৯জন নিখোঁজ হন। এদের মধ্যে মান্দারবাড়িয়া থেকে মাঝি নাসির ও মংলা থেকে সাকিব ও হিরু উদ্ধার হলেও বাকি ১৬জন জেলের সন্ধান তিনদিনেও মেলেনি। নিখোঁজ জেলেদের বাড়ি পাথরঘাটা বাদুরতলা ও বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকায়।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধুরী জানান, ফিরে আসা জেলেদের চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি ট্রলার মালিক সমিতি ও জেলে সমিতির যৌথ উদ্যোগে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারাভিযান পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *